—-
টেকনাফে পুত্রবধূর দায়ের কোপে শাশুড়ি নিহত হয়েছেন।পুলিশের অভিযানে অভিযুক্ত নারী আটক।
নিহত মনোয়ারা বেগম টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জাহাজপুরা এলাকার বাসিন্দা। তিনি মো. রফিকের স্ত্রী। অভিযুক্ত নারী একই এলাকার নিহতের ছেলে মো. ইদ্রিসের স্ত্রী ছেনোয়ারা বেগম।
এ বিষয়ে টেকনাফ বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক দুর্জয় বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে বাহারছড়া ইউনিয়নের জাহাজপুরা এলাকায় নিজ বসতঘরের একটি কক্ষে বসা অবস্থায় মনোয়ারা বেগমকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত ছেনোয়ারা বেগমকে আটক করে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্ত নারী ছেনোয়ারা বেগমের সংসারে তিনটি শিশু সন্তান রয়েছে। এছাড়া শাশুড়ির সঙ্গে তার পুত্রবধূ ছেনোয়ারা বেগমের পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রায়ই তর্ক-বিতর্ক হতো বলে জানা গেছে।
টেকনাফে পুত্রবধু ছেনুয়ারা “র দায়ের কোপে শাশুড়ী মনোয়ারা বেগম নিহত হয়েছে।
শুক্রবার বিকেল ৩ টার দিকে উপজেলার উপকূলীয় ইউনিয়ন বাহারছড়ার জাহাজপুরা পূর্ব পাড়া গুচ্ছ গ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় পুত্রবধূকে আটক করা হয়েছে।
স্থানীয়র জানান,প্রায় পাঁচ দিন আগে মোঃ ইদ্রিসের স্ত্রী ছেনুয়ারা বেগমের সঙ্গে তার শাশুড়ির পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ছেনুয়ারা বেগম বাপের বাড়িতে চলে যান। বৃহস্পতিবার তিনি স্বামীর বাড়িতে ফিরে এসে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে স্বাভাবিক ও ভালো আচরণ করেন।
তার স্বামী মোহাম্মদ ইদ্রিস পেশায় একজন জেলে। প্রতিদিনের মতো শুক্রবার বেলা ৩ টার দিকে মাছ ধরতে সাগরে যায়। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ছেনুয়ারা বেগম তার নামাজরত শাশুড়ির গলায় ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন।
গুরুতর আহত মনোয়ারা বেগমকে দ্রুত শামলাপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরন করে। কক্সবাজার সদর হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।